নিজস্ব প্রতিবেদক:

মহামারি করোনার কারণে এবছর রাজধানীতে হচ্ছে না আশুরার ঐতিহ্যবাহী তাজিয়া মিছিল। তবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ইমামবাড়ীগুলোর ভেতরেই শোক প্রকাশে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন শিয়া মতাদর্শীরা। যে কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি রুখতে থাকছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনীর কয়েক স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

বুক চাপড়ে মাতম। দুঃখ প্রকাশ। ক্ষমা প্রার্থনা। কারবালার বিয়োগাত্মক ঘটনা স্মরণে প্রতিবছর মহররম মাসের শুরু থেকেই শোক পালন করেন শিয়া মতাদর্শীরা। তবে এবারের প্রেক্ষাপট ভিন্ন। করোনা পরিস্থিতিতে ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় নিষিদ্ধ করা হয়েছে তাজিয়া মিছিল। তাই ১০ মহররমের আগের ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানও চলছে রাজধানীর হোসেনি দালান ইমামবাড়ার ভেতরেই।

হিজরি ৬১ সনের ১০ মহররম কারবালার প্রান্তরে শেষ নবী হযরত মুহাম্মদ -এর দৌহিত্র হযরত ইমাম হোসাইন চক্রান্তকারী ইয়াজিদ বাহিনীর হাতে মর্মান্তিকভাবে শহীদ হন। বিশ্ব মুসলিমের কাছে দিনটি একদিকে শোকের, অন্যদিকে অন্যায়, হত্যা ও ষড়যন্ত্র রুখে দেয়ার বিরুদ্ধে চেতনাও। বিধি-নিষিধের বেড়াজালে এবার মূল আয়োজনে কিছুটা ভাটা পড়লেও সবার অংশগ্রহণে শান্তিপূর্ণ শোক পালনে আশাবাদী আঞ্জুমানে হায়দারী প্রেসিডেন্ট কাজী মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন।

সার্বিক নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে এবারও ইমামবাড়ী কেন্দ্রীক বজায় থাকছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর কয়েক স্তরের নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বলয়। সর্বোচ্চ গুরুত্ব পাচ্ছে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার বিষয়টিও, জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের মিডিয়া এন্ড পাবলিক রিলেশনস উপ-পুলিশ কমিশনার মো. ওয়ালিদ হোসেন।

সৃষ্টির পর থেকে ইসলামের ইতিহাসে উল্লেখযোগ্য নানা ঘটনায় ১০ মহররম আশুরার অত্যন্ত বরকতময় ও তাৎপর্যপূর্ণ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *