নিজস্ব প্রতিবেদক,চট্রগ্রাম:

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড এলাকায় হেটেল জলসার ৪র্থ তলার ৪০১ নম্বর কক্ষে প্রেমিকাকে আটকে রেখে দফায় দফায় ধর্ষণের অভিযোগে প্রেমিকসহ ৭জনকে আটক করেছে পুলিশ।

ধর্ষণের ঘটনাটি ঘটে শনিবার  সন্ধ্যা থেকে রাত ২টা পর্যন্ত সীতাকুণ্ড পৌরসদর এলাকায় আবাসিক হোটেল জলসায়।

আটককৃতরা হল- উপজেলার দক্ষিণ ভাটেরখীল গ্রামের আবদুল মালেকের ছেলে মোহাম্মদ ইমন ইসলাম (২০), মো. নুর নবীর ছেলে মোহাম্মদ আলীম হোসেন (২২), গুলিয়াখালী খালিদ মেম্বারের বাড়ির মোহাম্মদ জামাল উল্লাহ মোহাম্মদ রিফাত (১৯),  একই এলাকার নেছার আহমেদের ছেলে রনি (২০), জসিম উদ্দিনের ছেলে বারেক (২২), আবুল কাসেম মিস্ত্রির ছেলে নয়ন (২২) এবং জলসা হোটেলের ম্যানেজার নুর উদ্দিন (৩৮)।

মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্র থেকে জানা যায়, সীতাকুণ্ড উপজেলার মধ্যম ভাটেরখীল গ্রামের নয়নের সাথে এক মাস আগে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে পরিচয় হয় ভুক্তভোগী তরুণীর।গত একমাসে তারা মোবাইলের মাধ্যমে গভীর প্রেমে জডিয়ে যায়।

গত শনিবার প্রেমিকের সাথে দেখা করতে আসলে প্রেমিক নয়ন তাকে গুটিয়াখালী সমুদ্র সৈকতসহ বিভিন্ন স্থানে ঘুরিয়ে বিশ্রামের জন্য হেটেল জলসায়  তুলে। হোটেলটির ৪০১ নম্বর কক্ষে প্রথমে নয়ন তাকে জোর করে ইয়াবা সেবন করায়। এরপর রাত ১০টা পর্যন্ত তাকে ৩বার ধর্ষণ করে। রাত ১০টার পরে নয়ন খাবার আনতে রুম থেকে বের হয়ে যায়। এরপর রাত সাড়ে ১০টার দিকে আরও ৫ যুবক পর্যায়ক্রমে রুমে গিয়ে রাত দেড়টা পর্যন্ত তাকে ধর্ষণ করে।

রাত ২টার দিকে হোটেলটির ম্যানেজার তরুণীকে জানায়, আরও তিনজন যুবক তার রুমে আসবে। এ কথা শুনার পর তরুণী আরেকটি রুমে গিয়ে লুকিয়ে থাকে।

সোমবার সকালে ভূক্তভোগী তরুণী সীতাকুণ্ড থানায় গিয়ে অভিযোগ করলে পুলিশ প্রথমে হোটেল ম্যানাজারকে আটক করে পরে তার দেয়া তথ্যমতে বাকি আসামিদের গ্রেফতারে সক্ষম হয়।

সীতাকুণ্ড মডেল থানার ওসি (তদন্ত) সুমন বনিক জানান,সোমবার সকালে তরুণীটির অভিযোগ পাওয়ার সাথে সাথে আমাদের একাধিক টিম অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তদের বিভিন্ন এলাকা থেকে আটক করেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *