নিজস্ব প্রতিবেদক:

ছোট পদে চাকরি করে বড় অংকের সম্পদের মালিক হয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের কতিপয় কর্মচারী। সরকারিভাবে নির্ধারিত বেতন পেয়ে যাদের সংসার চালাতে হিমশিম খাওয়ার কথা তারা অঢেল সম্পদে স্বাচ্ছন্দময় জীবন-যাপন করছেন। স্বাস্থ্য অধিদফতরের এমনই ৬ জন কর্মচারীর সম্পদের সন্ধান পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

সূত্র জানায়, ওই ছয় কর্মচারী, আরও পাঁচ কর্মকর্তাসহ মোট ১১ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীর অসামঞ্জস্যপূর্ণ সম্পদের খোঁজে মাঠে নেমেছে দুদক উপপরিচালক মো. সামছুল আলমের নেতৃত্বে একটি বিশেষ টিম।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, সম্পদ অর্জনের ক্ষেত্রে কর্মকর্তাদের চেয়ে কর্মচারীরাই এগিয়ে। ওই ১১ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে সিন্ডিকেট করে সীমাহীন দুর্নীতির মাধ্যমে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগটি রয়েছে।

জানা গেছে, অনুসন্ধানে এরই মধ্যে জ্ঞাত আয়বহির্ভুত সম্পদের তথ্য-প্রমাণ মিলেছে। ওই ১১ জনের স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের হিসাব চেয়ে এরই মধ্যে তাদের কাছে নোটিশ পাঠানো হবে।

অভিযুক্ত ছয় কর্মচারী হলেন- অধিদফতরের ইপিআই ভবনের এনএনএইচপি ও আইএমসিআই ইউনিটের ডাটা এন্ট্রি অপারেটর তোফায়েল আহমেদ ভূঁইয়া, হাসপাতাল ও ক্লিনিক শাখার অফিস সহকারী কামরুল হাসান, গোপালগঞ্জের ৫০০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. ওবাইদুর রহমান, গোপালগঞ্জের শেখ সায়েরা খাতুন মেডিকেল কলেজের স্টেনোগ্রাফার কাম কম্পিউটার অপারেটর মো. সাইফুল ইসলাম, জাতীয় হৃদরোগ ইন্সটিটিউট ও হাসপাতালের প্রশাসনিক কর্মকর্তা (চলতি দায়িত্ব) মো. মাহমুদুজ্জামান ও অধিদফতরের গাড়ি চালক আবদুল মালেক।

অভিযুক্ত পাঁচ কর্মকর্তা হলেন- স্বাস্থ্য অধিদফতরের ইপিআই শাখার হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা মো. মজিবুল হক মুন্সি, রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হিসাব রক্ষক ইমদাদুল হক, গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দিন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের স্টোর অফিসার মো. নাজিম উদ্দিন, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হিসাব রক্ষক মো. আনোয়ার হোসেন ও বরিশাল বিভাগীয় পরিচালকের কার্যালয়ের সহকারী প্রধান পরিসংখ্যান কর্মকর্তা মীর রায়হান আলী।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *