সুনামগঞ্জ,প্রতিনিধি:

গত ১৩ অক্টোবর রাতে প্রকৃতির ডাকে এক কিশোরী ঘরের বাইরে গেলে তিন বখাটে  তাকে ধানখেতে নিয়ে  ধর্ষণ করে। মেয়েটি কোনভাবে ঘরে এসে অভিভাবকদের বিষয়টি জানায়।

সেই রাতে অভিযুক্তদের পরিবারে নালিশ করলে তারা মিমাংসার নামে তালবাহানা শুরু করে। অভিযুক্তদের পরিবার প্রভাবশালী হওয়ায় নির্যাতিতার পরিবার মামলা করতে পারেনি। পর্যায়ক্রমে ভুক্তভোগী কিশোরীটি অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এ সময় ঘটনাটি প্রকাশ পেয়ে যায়।

খবর পেয়ে দোয়ারাবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজির আলম  ঘটনাস্থলে গিয়ে ধর্ষনে অভিযুক্ত বিল্লালকে আটক করেন।

এরপর কিশোরীটির মা বাদী হয়ে দোয়রবাজার থানায় ৫ জনকে আসামী করে ধর্ষণের মামলা করেন।

মামলায় অভিযুক্তরা হল-বিল্লাল হোসেন, আসকির, হোসাইন,আয়ূব আলী ও রিয়াজউদ্দিন। এদের সকলের বাড়ি ঘটনাস্থল খাইরগাঁও গ্রামে।

দোয়ারবাজার থানার ওসি নাজির আলম বলেন, ‘ঘটনাটি ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা হয়েছিল। আমরা জানার পরপরই এক ধর্ষককে গ্রেপ্তার করেছি। অন্যদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। আসামিরা যতই প্রভাবশালী হোক তাদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে বলে জানান ওসি নাজির আলম।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *