নিজস্ব প্রতিবেদক,সিলেট:

সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের বন্দর বাজার ফাঁড়িতে নির্যাতনে রায়হান আহমদের মৃত্যুর ঘটনায় দায়িত্ব অবহেলার অভিযোগে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের (এসএমপি) কোতোয়ালি থানার আরও তিন কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

বুধবার (২৫ নভেম্বর) সন্ধ্যায় সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার (গণমাধ্যম) বি এম আশরাফ উল্যাহ তাহের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

নতুন করে বরখাস্ত হওয়া তিন কর্মকর্তা হলেন- ঘটনার দিন কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্বে থাকা ইন্সপেক্টর (ওসি তদন্ত) সৌমেন মৈত্র ও রায়হান হত্যা মামলার প্রথম তদন্ত কর্মকর্তা কোতোয়ালি থানার এসআই আব্দুল বাতেন ভূঁইয়া এবং ঘটনার রাতে বন্দর ফাঁড়িতে দায়িত্বরত এএসআই কুতুব আলী। আলোচিত এ মামলাটি পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনে (পিবিআই) স্থানান্তরের আগে এসআই আব্দুল বাতেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ছিলেন।

আকবর পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় পুলিশ সদর দফতরের তদন্ত কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী নতুন করে এই তিনজনকে বরখাস্ত করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

চলতি বছরের ১১ অক্টোবর ভোরে বন্দর বাজার পুলিশ ফাঁড়িতে রায়হানের মৃত্যু হয়। ঘটনায় দিন রাতে কোতয়ালি মডেল থানায় অজ্ঞাত আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা করেন নিহতের স্ত্রী তাহমিনা আক্তার। এ ঘটনায় পর ওই ফাঁড়ি ইনচার্জসহ চার পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত ও তিনজনকে প্রত্যাহার করা হয়।

তখন সাময়িক বরখাস্তকৃতরা হলেন, ফাঁড়ি ইনচার্জ উপপরিদর্শক (এসআই) আকবর হোসেন, সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) তৌহিদ মিয়া, কনস্টেবল টিটু চন্দ্র দাশ ও হারুনুর রশীদ। আর প্রত্যাহার করা হয়- সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আশীক এলাহী, সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) কুতুব আলী ও কনস্টেবল সজীব হোসেন।

আলোচিত এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত প্রধান অভিযুক্ত এসআই আকবর হোসেনসহ চার পুলিশ সদস্যকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

অন্যদিকে পুলিশ সদর দফতরের একটি সূত্র জানায়, তদন্ত কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী দায়িত্বে অবহেলায় আরও ৫ জন কর্মকর্তাকে শাস্তির জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে নথি পাঠিয়েছে পুলিশ সদর দফতর।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *