নিজস্ব প্রতিবেদক:

শুদু উত্তর সিটি করপোরেশনেই বকেয়া পড়ে আছে প্রায় শত কোটি টাকা হোল্ডিং ট্যাক্স।

বকেয়ার তালিকায় আছে ইউনাইটেড হাসপাতাল, ওয়েস্টিন হোটেল, বিজিএমইএ এর মতো বড় বড় প্রতিষ্ঠান।

ট্যাক্স ফাঁকির এই রাঘব বোয়ালদের দেয়া তথ্যেও রয়েছে গড়মিল।বিশেষজ্ঞরা বলছেন নিজেদের শক্তিশালী করতেই পাওনা আদায়ে কৌশলী হতে হবে সিটি করপোরেশনকে। এদিকে ডিএনসিসি বলছে কঠোর হচ্ছেন তারা।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ট্যাক্স পরিশোধ করে দুই লাখ ৪০ হাজার ভবন। ব্যক্তিগত পর্যায়ে খেলাপির সংখ্যা নগণ্য হলেও বেশ কিছু প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে তা কোটি কোটি টাকা।

ডিএনসিসির তথ্য বলছে তালিকায় প্রথম সারিতে ইউনাইটেড হাসপাতাল। নথি ঘেঁটে পাওয়া গেলো ২০০৮/০৯ সাল থেকে নিজেদের হোল্ডিং ট্যাক্স আর জমা করেনি প্রতিষ্ঠানটি। টাকার অঙ্কের হিসেবটা ছুঁয়েছে ২৫ কোটি ৪৬ লাখ ৮৮ হাজারে।

আনুষ্ঠানিকভাবে কথা না বললেও প্রতিষ্ঠানটির সাফ জবাব একটি টাকাও বকেয়া নেই তাদের। সিটি করপোরেশন থেকে জানা যায় পাওনা আদায়ে একটি মামলাও চলমান তাদের বিরুদ্ধে।

ডিএনসিসি প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা আব্দুল হামিদ বলেন, বড় বড় যতগুলো বকেয়া আছে, সবগুলোর বিরুদ্ধে আমাদের মামলা করা আছে।

তালিকায় আরেক বড়নাম হোটেল ওয়েস্টিন। তাদের বকেয়া জমে কোটি ছাড়িয়েছে অথচ এ বিষয়ে জানতে চাইলেও কোন সদুত্তর মেলেনি প্রতিষ্ঠানটি থেকে।

এমনিভাবে বিজিএমইএ, সুইট ড্রিমস, উত্তরা রাজউক মার্কেটসহ বেশ কিছু প্রতিষ্ঠানের বকেয়া যোগ করে উত্তর সিটির পাওনা গিয়ে ঠেকেছে প্রায় একশ কোটিতে।

নগর পরিকল্পনাবিদ ইকবাল হাবিব বলেন, সমস্ত বকেয়া পাওনাদারদের হিসাব ডিজিটালই সবার কাছে চলে যাওয়া, এমনই কিছু করা উচিত।

সিটি করপোরেশন বলছে এবারে পাওনা আদায়ে মাঠে নামছে তারা।

মেয়র আতিক বলেন, আমাদের সুযোগ নেবে কিন্তু তারা ট্যাক্স দেবে না এটা তো হতে পারে না।

পহেলা সেপ্টেম্বর থেকে ট্যাক্সের পরিধি বাড়াতে শুরু হচ্ছে উত্তর সিটি করপোরেশনের বিশেষ চিরুনি অভিযান।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *