নিজস্ব প্রতিবেদক:

জাতীয় পরিচয়পত্রে বয়সসীমা কমানোর কথা ভাবছে নির্বাচন কমিশন। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে গুরুত্ব দিয়ে, করোনা টিকা সেবার আওতা বাড়াতেই, নেয়া হচ্ছে এ উদ্যোগ। ১৮ বছর থেকে বয়সসীমা কমিয়ে ১৫ বছর করার চিন্তাভাবনা চলছে। তবে বয়স ১৮ পূর্ণ হলে যুক্ত হবেন ভোটার তালিকায়।

দেশের নাগরিকদের নিবন্ধিত করতে যে ভোটার তালিকা হালনাগাদ করা হয় তাতে অনেক সময় বাদ পড়তো তরুণ ভোটারদের একটা বড় অংশ। বয়সের বাধা ধরা নিয়মে তালিকাভুক্ত হতে পারতো না অনেকেই।

২০১৯ সালের হালনাগাদে ২০০৪ সালের পহেলা জানুয়ারির আগে যাদের জন্ম তাদেরকে নিবন্ধনের আওতায় আনা হয়। এরপর আর তালিকা হালনাগাদ হয় নি।

করোনার টিকা নিবন্ধনের জাতীয় পরিচয়পত্রের বাধ্যবাধকতা থাকায় এবার বয়স সীমা আরো কমাচ্ছে নির্বাচন কমিশন। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২০০৬ সালের পহেলা জানুয়ারি বা তার আগে যাদের জন্ম তারাও হাতে পাবে জাতীয় পরিচয়পত্র। তবে ভোটার তালিকায় যুক্ত হবে বয়স ১৮ পূর্ণ হলে।

প্রায় দেড় বছর ধরে বন্ধ রয়েছে স্কুল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়। তাই শিক্ষার্থীদের কথা চিন্তা করেই এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

এছাড়াও এতদিন নিবন্ধনের পরও জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর পেতে সময় লাগতো দীর্ঘদিন। এখন নিবন্ধনের মাত্র ২৪ ঘন্টার মধ্যে জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর চলে যাবে প্রত্যেক নতুন ভোটারের মোবাইল ফোনে।

নির্বাচন কমিশনের এমন সিদ্ধান্তে জাতীয় পরিচয়পত্র পেতে থানা নির্বাচন অফিসগুলোতে ভিড় বাড়ছে শিক্ষার্থীদের।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *