অনলাইন ডেস্ক:


গতকাল শুক্রবার পর্যন্ত ঘূর্ণিঝড় ইয়াশ-এর মূল গতিপথ ছিলো ভারতের ভুবনেশ্বর, উড়িষ্যা, পশ্চিমবঙ্গের দিকে। বাংলাদেশের খুলনা বিভাগের দিকে ছিলো সামান্য অংশ। কিন্তু আজ এটি একটু ডানদিকে মোড় নেওয়ায় ভুবনেশ্বর, উড়িষ্যা থেকে ডানদিকে ফিরে এখন পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের খুলনা বিভাগের দিকে এগোচ্ছে বলে মনে হচ্ছে।

শনিবার (২২ মে) বিকেল ৪টায় সচিবালয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচির পলিসি কমিটির জরুরি সভায় এই কথা জানান দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান।

তিনি বলেন, ঘূর্ণিঝড়টিকে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। ২৩ তারিখের পর আরো নিশ্চিত হওয়া যাবে। ইতোমধ্যে আমারা কাজ শুরু করেছি। প্রচার-প্রচারণা শুরু হয়েছে। শেল্টারগুলো প্রস্তুত করা হচ্ছে। ফায়ার সাভির্স ও সিভিল ডিফেন্স, স্থানীয় প্রশাসন সব প্রস্তুত আছে। বৃহস্পতিবারই স্থানীয় প্রশাসনের কাছে বরাদ্দের টাকা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। আগামীকাল আরো পৌঁছানো হবে।

করোনার কারণে স্বাস্থ্যবিধি মানাতে ৩ গুণ বেশি আশ্রয়কেন্দ্রের ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, কোনো আক্রান্ত ব্যক্তি থাকলে তাকে অবশ্যই আলাদা স্থানে রাখতে হবে। কোনোভাবে যেন আশ্রয়কেন্দ্র থেকে কেউ আক্রান্ত না হয় সেটিও গুরুত্বের সাথে দেখতে হবে।

ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, যেভাবেই হোক সবাইকে আশ্রয়কেন্দ্রে আনতে হবে। প্রয়োজনে হাত-পা বেঁধে চ্যাঙদোলা করে হলেও আনতে হবে। এবার আমরা শতভাগ মানুষকে শেল্টারে এনে মৃতের সংখ্যা শূন্যের কোটায় নিয়ে আসতে চাই। তাহলে বিশ্বের বুকে আমাদের রোল মডেলের স্বীকৃতি আরো জোরালো হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *