নিজস্ব প্রতিবেদক,চট্টগ্রাম:


বন্দরনগরী চট্টগ্রামে সামান্য বৃষ্টি হলেই জমে হাঁটু পানি। সড়কসহ বিভিন্ন ঘর-বাড়িতে পানি প্রবেশ করায় দুর্ভোগে পড়ে নগরবাসী। জলাবদ্ধতা নিরসনে ৫ হাজার ৬শ কোটি টাকার সিডিএ’র প্রকল্পের সুফল না পাওয়ায় হতাশ ভুক্তভোগীরা। এদিকে সিডিএ বলছে, করোনার কারণেই থমকে যাচ্ছে এই প্রকল্প। আর নগর বিশ্লেষকরা বলছেন পরিকল্পিতভাবে প্রকল্পের কাজ না হলে মিলবে না সুফল।

অল্প বৃষ্টিতে তলিয়ে যায় চট্টগ্রাম নগরীর বেশির ভাগ এলাকা। নেমে আসে দুর্ভোগ। বিভিন্ন সড়কে জমে হাঁটু পানি। আবার কিছু সড়কে ওঠে কোমর সমান পানি। পানিবন্দি হয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয় সাধারণ মানুষকে।

ভুক্তভোগীরা বলেন, আমরা যে কতদিন ধরে এর ভুক্তভোগী তা বোঝানো সম্ভব না। নৌকা দিয়ে আসা-যাওয়া করতেছি আমরা।

এ বছরও নগরবাসীকে জলাবদ্ধতায় কষ্ট ভোগ করতে হবে। কারণ মেয়াদ শেষ হলেও জলাবদ্ধতা নিরসনে নেওয়া মেগাপ্রকল্পের কাজ শেষ হয়েছে মাত্র ৫০ শতাংশ।

সিডিএ’র প্রধান প্রকৌশলী মো. হাসান বিন শামস বলেন, সিটি করপোরেশনের দায়িত্ব হচ্ছে ৫ ফুটের নিচে যেসব ড্রেন আছে তা পরিষ্কার করা। এখন দেখছি যে সিটি করপোরেশন তা পরিষ্কার করছে না। বড় কাজগুলো সেনাবাহিনী পরিষ্কার করার কথা। এই দুটো কাজ যদি সমন্বিতভাবে করা যায়, তাহলে আমাদের বর্ষায় এই জনদুর্ভোগ হবে না।

নগর বিশ্লেষকরা বলছেন, কোটি টাকার প্রকল্প পরিকল্পিত না হলে মিলবে না কোনো সুফল।

চট্টগ্রামে বাংলাদেশ স্থপতি ইন্সটিটিউটের প্রকৌশলী আশিক ইমরান বলেন, পরিকল্পনায় সমন্বয় না থাকার জন্য এখন দায় এড়ানো কিংবা একজনের দায় আরেক জনের ওপর চাপানোর প্রবণতা দেখছি আমরা। এটা দিন শেষে জনদুর্ভোগ। এটা গ্রহণযোগ্য নয়। এ সংস্থাগুলোকে দায়িত্ব নিতেই হবে।

নালা ও খালের প্রতিবন্ধকতা দূর করে দ্রুত এই জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি পাবে নগরবাসী, এমনটাই আশা স্থানীয়দের।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *