নিজস্ব প্রতিবেদক:

৩ হাজার ৬শ’ কোটি টাকা আত্মসাৎ ও পাচারের অভিযোগে বিদেশে পলিয়ে থাকা প্রশান্ত কুমার হালদারের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ইন্টারপোলের কাছে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান। অভিযুক্ত পিকে হালদার ৭০ থেকে ৮০ জন নারীর একাউন্টে কোটি কোটি টাকা লেনদেন করেছেন।

খুরশীদ আলম খান জানান, পিকে হালদারকে দেশে ফেরানোর বিষয়ে রুল জারির পর তার বিরুদ্ধে অর্থপাচারের বিষয়ে আমার কাছে আরও কিছু তথ্য এসেছে। তথ্যে জানতে পেরেছি, তিনি অবিবাহিত। অবিবাহিত থাকার সুবাদে পাচারের কোটি কোটি টাকা পিকে হালদার তার কিছু গার্লফ্রেন্ডের একাউন্টে পাঠিয়েছেন। এর সংখ্যা ৭০ থেকে ৮০ জন হতে পারে। এগুলো দুদকের তদন্ত কর্মকর্তাকে দেবো অনুসন্ধানের জন্য।

প্রশান্ত কুমার হালদার ব্যাংক পাড়ায় যিনি পরিচিত পি কে হালদার নামে। শুধু নিজ প্রতিষ্ঠান ইন্টারন্যাশনাল লিজিং থেকেই ১৫শ’ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আছে তার বিরুদ্ধে। গণমাধ্যমে একের পর এক অনিয়মের ফর্দ প্রকাশের পর থেকেই লাপাত্ত পিকে হালদার। বলা হচ্ছে, তল্পিতল্পা গুটিয়ে কানাডায় পাড়ি জমিয়েছেন বেশ আগেই। পিপলস লিজিংসহ একাধিক প্রতিষ্ঠান থেকে প্রায় ৩ হাজার ৬০০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে পিকে হালদারের বিরুদ্ধে।

এসব নারীদের তালিকায় কারা আছেন জানতে চাইলে দুদক আইনজীবী মো. খুরশীদ আলম খান বলেন, এই মুহূর্তে কারো নাম প্রকাশ করতে চাচ্ছি না আমি। কারণ এদের বিষয়ে অনুসন্ধান করা হবে।

প্রশান্ত কুমার হালদার, ব্যাংক পাড়ায় পিকে হালদার নামে পরিচিত। তিনি বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ করে লাপাত্তা রয়েছেন। মাঝে একবার টাকা ফেরতের শর্তে দেশে ফিরতে চাইলেও দেশে ফিরলে গ্রেপ্তার হতে হবে হাইকোর্টের এমন আদেশের পর অসুস্থতার কথা বলে আর ফেরেননি তিনি।

জানা গেছে, কানাডার বেগম পাড়ায় বাড়ি করে রাজকীয় জীবন যাপন করছেন তিনি।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *