পাবনা প্রতিনিধি:
পাবনা জেলা বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে ৪ নেতাকর্মী ছুরিকাঘাতসহ ৭জন আহত হয়েছেন। সোমবার বিকেলে পাবনা- ৪ আসনের উপ-নির্বাচনের প্রচারণায় যোগ দিতে এসে কেন্দ্রীয় নেতাদের সামনেই জেলা যুবদলের দুই গ্রুপ সংঘর্ষে লিপ্ত হয়।

সংঘর্ষে ছুরিকাঘাত হন- জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক হিমেল রানা (৪৫), জেলা ছাত্রদলের সাংগাঠনিক সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন(২৪), সহ সাংগাঠনিক সম্পাদক সাব্বির হোসেন (২২) এবং জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের ত্রাণ বিষয়ক সম্পাদক আজমল হোসেন রানা (২৭)। তাদেরকে উদ্ধার করে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে সাদ্দাম হোসেন, সাব্বির হোসেন ও আজমল হোসেন রানাকে ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়। এ ঘটনায় আহত আরও ৩ জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়।

পুলিশ ও দলীয় সূত্র জানায়, পাবনা- ৪ আসনে উপ-নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীর পক্ষে প্রচারণায় অংশ নিতে সোমবার বিএনপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম ভাইস চেয়ারম্যান আমানুল্লাহ আমান, এ্যাডভোকেট রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, খায়রুল কবীর খোকন, নাজিমুদ্দিন আলমসহ কেন্দ্রীয় নেতারা ঈশ্বরদীতে এসে পৌঁছান। এর আগে সকাল থেকে জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক হিমেল রানাসহ জেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি সাদ্দাম হোসেন কর্মীদের সাথে নিয়ে উপ-নির্বাচনে প্রচারণার কাজ করছিলেন। নেতা-কর্মীরা প্রচার কাজ শেষে উপ-নির্বাচনে প্রার্থী হাবিবুর রহমান হাবিবের বাড়ি সাহাপুরে যান। সেখানে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে পাবনা ঈশ্বরদী থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাসির উদ্দিন বলেন, নির্বাচন কেন্দ্রিক রাজনৈতিক দলগুলো প্রচার প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে। তার অংশ হিসেবে বিএনপির প্রার্থী হাবিব নিজ এলাকাতে প্রচারণার কাজ করছিলেন। সেখানে খাবার টেবিলে বিএনপির দুই পক্ষের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।। তবে কোন পক্ষই কোন লিখিত অভিযোগ দেয়নি।

জেলা বিএনপির নেতা ও স্থানীয়দের মাধ্যমে জানা যায়, নির্বাচনের পূর্ব থেকেই পাবনা জেলা বিএনপি দুই ভাগে বিভক্ত ছিলো। পাবনা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও কেন্দ্রীয় বিএনপির উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য হাবিবুর রহমান হাবিব উপ-নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছেন। কিন্তু এই প্রার্থীতা নিয়ে জেলা বিএনপির মধ্যে রয়েছে কোন্দল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *