নিজস্ব প্রতিবেদক:


দেশে করোনায় এক মাসে সর্বোচ্চ শনাক্তের দিনে প্রাণ গেছে আরও ৩৪ জনের। রাজশাহী মেডিকেলেই মৃত্যু হয়েছে ৭ জনের। এমন পরিস্থিতিতে বিশেষ লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে নওগাঁ পৌরসভা ও নিয়ামতপুর উপজেলায়। তবে সংক্রমণ রোধে সীমান্ত পুরোপুরি সিলগালা চান স্থানীয়রা। রাজশাহী ও খুলনার কিছু এলাকায় দোকানপাট বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে প্রশাসন।

রাজশাহী মেডিকেলে প্রতিনিয়ত বাড়ছে করোনায় মারা যাওয়া রোগীর সংখ্যা। গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন ৭ জন। আর গত এক সপ্তাহে এই সংখ্যা জন।ভারতীয় ভ্যারিয়েন্টের আতঙ্ক ছড়িয়েছে সীমান্ত জেলাগুলোয়। চাঁপাইনবাবগঞ্জের পর এবার সর্বাত্মক লকডাউন ঘোষণা করা হলো নওগাঁ পৌরসভা ও নিয়ামতপুর উপজেলাকে।

প্রশাসনের এ সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তারা বলছেন, এ উদ্যোগ আরও আগে নিলে করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে থাকতো। এছাড়া সীমান্ত এলাকা সীলগালা করার পরামর্শও দিয়েছেন স্থানীয়রা।

এদিকে, লকডাউনের গুঞ্জন উঠলেও আপাতত সে সিদ্ধান্তে যাচ্ছে না খুলনা জেলা প্রশাসন। তবে, করোনা সংক্রমণ কমাতে আগামী ৪ জুন থেকে খুলনা সদর, সোনাডাঙ্গা ও খালিশপুর থানা এলাকায় দোকানপাট বন্ধের ঘোষণা দেয়া হয়েছে।

এদিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৯ম দিনের মতো চলছে লকডাউন। সদর হাসপতালে অক্সিজেন সংকট দেখা দিলে সংবাদ প্রচার করে বিভিন্ন গণমাধ্যম। এরপর ৫ হাজার ৬৪৪ লিটার তরল অক্সিজেন সরবরাহ করেছে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ‘লিন্ডে বাংলাদেশ লিমিটেড’।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *