নিজস্ব প্রতিবেদক:

করোনাকালে নিত্যপণ্যের উত্তাপে ধরাশায়ী দেশের সাধারণ ভোক্তারা।দেশব্যাপী অতি মুনাফা লোভী ব্যবসায়ীদের কারসাজিতে পেঁয়াজের পর চাল এরপর আলুর দাম লাগামহীন। সঙ্গে যোগ হয়েছে ডাল, ভোজ্যতেল ও সব ধরনের সবজি।

সারাদেশে বন্যা পরিস্থিতির কারনে সাধারণ নাগরিকরা খাদ্য সংকটে থাকা কালিন দ্রব্যমূল্যের এমন ঊর্ধ্বগতিতে যেন  ‘মরার উপর খাঁড়ার ঘা’।

আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও) এবং বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) তথ্য অনুসারে- করোনার কারণে বাংলাদেশে নতুন করে এক কোটি মানুষ দরিদ্র হয়েছে। এ সময় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে স্থবিরতার কারণে অধিকাংশ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমেছে। আর দেশের এমন পরিস্থিতিতে নিত্যপণ্যের অস্বাভাবিক দামে মানুষ আরও বেশি অসহায় হয়ে পড়ছে।

রাজধানীতে অবস্থিত সর্ববৃহৎ পাইকারি আড়ত কারওয়ান বাজার ও বাদামতলীর অড়ৎদাররা জানিয়েছেন,পাইকারি পর্যায়ে প্রতি বস্তা (৫০ কেজি) মিনিকেট চাল বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৭০০ টাকা। যা ২০ দিন আগে ছিল ২ হাজার ৫৫০ টাকা। বিআর ২৮ চাল বিক্রি হয়েছে ২ হাজার ৩৫০ টাকা, আগে ছিল ২ হাজার ২০০ টাকা। আর স্বর্ণা জাতের চাল বিক্রি হয়েছে ২ হাজার ৩০০ টাকা, আগে ছিল ২ হাজার ৫০ টাকা।

সয়াবিন তেলের দাম বৃদ্ধির ফলে খোলা বাজারে বেড়েছে পাম তেলের কদর। সাধারনত পাম তেল ভোক্তাদের পছন্দের তালিকায় না থাকলেও অভাবের বাজারে এখন পাম তেলেই ভরসা করছে অনেক পরিবার।

এ দিকে সবজি বাজার গুলোতে দেখা গেছে ৬০ টাকার নিচে কোন সবজিই মিলছেনা।বেশি চাহিদার সবজিগুলো বিক্রি হচ্ছে ৮০-১০০ টাকায়। তার সাথে পাল্লা দিয়ে দাম বাড়িয়েছে মাছ বিক্রেতারাও, তাদের অভিযোগ কেনা বেশি তাই বিক্রি করতে হচ্ছে বেশি দামেই।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *