কুষ্টিয়া প্রতিনিধি:
চুক্তি করেও বোরো মৌসুমে কুষ্টিয়ার ২৬১টি মিল সরকারি গোডাউনে চাল সরবরাহ না করায় তাদের কালো তালিকাভুক্ত করা হচ্ছে। এছাড়া মিলের জামানত বাজেয়াপ্ত, প্রণোদনা বাতিল ও আগামী দুই মৌসুম চাল সরবরাহ থেকে চুক্তির বাইরে রাখার মতো পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে খাদ্য বিভাগ।

এ অবস্থায় সরকারি গুদামে চাল সরবরাহের জন্য সময় বাড়ানোর দাবি মিল মালিক সমিতির।

চলতি বোরো মৌসুমে কুষ্টিয়ায় চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩৪ হাজার মেট্রিক টন। কিন্তু সময় বাড়িয়েও সংগ্রহ হয়েছে সাড়ে ২২ হাজার মেট্রিক টন। এ সময় ২৫৮টি হাসকিং ও ৩টি অটো রাইস মিল চাল সরবরাহ করেনি।

জেলায় এ বছর সরকারি গোডাউনে চাল সরবরাহের জন্য ৫৩৫টি চাল মিল চুক্তি করে।

মিল মালিকদের দাবি,বোরো মৌসুমে ধানের দাম বেড়ে যাওয়া, চাল উৎপাদন খরচ বেশি হওয়ায় লোকসানে পড়তে হচ্ছে। যে কারণে অনেক মিল মালিক চাল দিতে ব্যর্থ হয়েছে।

সরকারের সাথে চুক্তি করে চাল দিতে ব্যর্থ হওয়া মিলের ব্যাপারে সরকারি সিদ্ধান্ত মেনে নেয়া হবে বলে জানান কুষ্টিয়া বাংলাদেশ রাইসমিল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ওমর ফারুক।

চুক্তি করেও চাল না দেয়ায় কালোতালিকাভুক্তসহ আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানান কুষ্টিয়া জেলা খাদ্য কর্মকর্তা তাহসিনুল হক।

কুষ্টিয়া জেলা খাদ্য অফিসের তথ্য মতে, জেলায় চাল সংগ্রহের লক্ষমাত্রার ৬৫ ভাগ চাল সংগ্রহ করতে পেরেছে খাদ্য বিভাগ ।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *