নিজস্ব প্রতিবেদক:

গতকাল ধর্ষণের মামলায় ছয় থেকে নয় বছরের চার শিশুকে যাশোর কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠালো আদালত- শিরোনামে একটি বেসরকারি টিভিতে ওই প্রতিবেদন প্রচার হয়। এ প্রতিবেদনটি বিচারকদের নজরে এলে রাতেই বসে আদালত। বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি মহিউদ্দিন শামীমের হাইকোর্ট বেঞ্চ বসে।

এই বেঞ্চ বরিশাল নারী ও শিশু আদালতকে আদেশ দেয় বৃহস্পতিবার রাতের মধ্যেই তাদের জামিন নিষ্পত্তির। এর পরপরই চার শিশুকে জামিন দেয় বরিশালের আদালত। তাদের যশোর থেকে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত মাইক্রোবাসে করে অভিভাবকের কাছে পৌঁছে দিতেও যশোর জেলা প্রশাসককে আদেশ দেয় হাইকোর্ট।

বাকেরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও ওই ৪ শিশুকে তাদের অভিভাবকসহ আগামী ১১ অক্টোবর হাইকোর্টে হাজির হতে বলাে হয়েছে । চার শিশুকে কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানোর আদেশ প্রদানকারী বরিশাল বাকেরগঞ্জের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকেও ওইদিন উচ্চ আদালতে হাজির হতে বলা হয়েছে এই আদেশে।

বরিশাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালকে ১১ অক্টোবর সাড়ে ১০টার মধ্যে ভিকটিম শিশুর ধর্ষণ সংক্রান্ত মেডিকেল রিপোর্টও দাখিল করতে বলা হয়েছে হাইকোর্টে।

আদেশে আরও বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার রাতের মধ্যে শিশুদেরকে তাদের পিতা-মাতার কাছে পৌঁছে শুক্রবার সকাল ১০টার মধ্যে টেলিফোনের মাধ্যমে বিষয়টি জানাতে।

প্রসঙ্গত: বুধবার বিকালে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বাকেরগঞ্জ আমলি আদালতের বিচারক এনায়েত উল্লাহর নির্দেশে ওই চার শিশুকে যশোর কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানো হয়।

এর আগে বুধবারই বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলায় চার নাবালক শিশুর বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা হয়। এ ঘটনায় তাদের গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করে পুলিশ।

চার শিশুর স্বজনরা দাবি করে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে ধর্ষণের অভিযোগ তুলে ওই শিশুদের ফাঁসানো হয়েছে।

 

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *