নিজস্ব প্রতিবেদক :

চট্টগ্রাম মহানগরীর ডবলমুরিং থানা এলাকায় পথ হারিয়ে ফেলা এক কিশোরীকে বাসায় পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে গণধর্ষণ করেছেন তিন ব্যক্তি। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন মেহেদী হাসান মুন্না (১৯), মো. সাকিব (২১) এবং হাসান তারেক রনি (৪০)।

বৃহস্পতিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে চট্টগ্রাম জেলার ডবলমুরিং থানার ওসি আবুল কাশেম ভুঁইয়া একথা জানান।

পুলিশ জানায়, (৫ সেপ্টেম্বর) ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরী চট্টগ্রাম নগরীর আগ্রাবাদ এলাকায় ভাবির সঙ্গে একটি হাসপাতালে যায়। হাসপাতাল থেকে বাড়িতে ফেরার সময় তারা বাসে উঠতে যান। বাসে উঠার এক পর্যায়ে ওই কিশোরী তার ভাবির কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যান। ওই কিশোরী বাসা না চেনার কারনে আগ্রাবাদ এলাকায় আখতারুজ্জামান সেন্টারের সামনে কান্না করতে থাকে। এ সময় এক ব্যাক্তি তার কাছে কান্নার কারন জানতে চায়।

পুলিশ আরো জানায়, ঘটনা জানতে পেরে ওই ব্যাক্তি কিশোরীকে বাসায় পৌঁছে দেয়ার কথা বলে সীতাকুণ্ডের বেরিবাঁধ এলাকায় নিয়ে একটি বাসায় আটকে রাখে। পরে ওই দিন রাতেই অভিযুক্তরা ওই কিশোরীকে ধর্ষণ করে। পরদিন ভয়ভীতি দেখিয়ে এবং ঘটনা কাউকে না বলার শর্তে ভুক্তভোগী কিশোরীকে চট্টগ্রাম নগরীর মনছুরাবাদ এলাকায় বাসার কাছাকাছি নামিয়ে দিয়ে যায় আসামিরা।

ঘটনার কয়েকদিন পর বৃহস্পতিবার অভিযুক্ত ধর্ষকদের একজনকে মনছুরাবাদ এলাকায় দেখতে পেয়ে কিশোরী চিৎকার শুরু করে। পরে স্থানীয়দের মাধ্যমে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আটক করা হয়। পরে তাকে পুলিশে দেওয়া হয়। এ সময় অভিযুক্তের দেওয়া স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে পুলিশ আরো দুইজনকে গ্রেপ্তার করে।

ডবলমুরিং থানার ওসি আবুল কাশেম ভুঁইয়া জানান, ধর্ষএণর ঘটনায় কিশোরীর বোন বাদি হয়ে তিন জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *