অনলাইন ডেস্ক:


এক বছরেও দেশের সব সরকারি হাসপাতালে কেন্দ্রীয় অক্সিজেন প্ল্যান্ট বসানোর কাজ শেষ হয়নি। নানা জটিলতায় এখনো ২৮টি হাসপাতালে প্ল্যান্ট বসানোর কাজ বাকী। যদিও স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে, আগামী মাসের মধ্যেই কাজ শেষ হবে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলেন, কোভিড মোকাবিলায় জেলা পর্যায়সহ সব মেডিকেল কলেজ ও বিশেষায়িত হাসপাতালে কেন্দ্রীয় প্ল্যান্ট স্থাপন জরুরি।

শ্বাসতন্ত্রের রোগ কোভিড-১৯-এর চিকিৎসা ব্যবস্থাপনার গুরুত্বপূর্ণ এক অংশ নিরবচ্ছিন্ন অক্সিজেন সরবরাহ। তবে সমস্যা হচ্ছে দেশের সব হাসপাতালে কেন্দ্রীয় অক্সিজেন সরবরাহ ব্যবস্থা নেই। নিরবচ্ছিন্ন অক্সিজেন সরবরাহের জন্য তাই গেল বছর দেশের ৭৯টি হাসপাতালে কেন্দ্রীয় প্ল্যান্ট বসানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

দেশে করোনা সংক্রমণ শুরুর প্রথম দিকে যে কয়েকটি হাসপাতালে এমন প্ল্যান্ট বসে, তার একটি শেখ রাসেল গ্যাস্ট্রোলিভার হাসপাতাল। প্রয়োজন মতো দিনে দুই থেকে তিনবার অক্সিজেন ট্যাংকটি রিফিল করা হয়।

করোনার সংক্রমণ বাড়লে সরকার নির্ধারিত অন্যান্য হাসপাতালগুলোতে অক্সিজেন প্ল্যান্ট বসানোর তোড়জোড় শুরু হয়। আবার সংক্রমণ কমলে কাজের গতি কমে যায়। এক বছরেও তাই সবগুলো হাসপাতালে নিরবচ্ছিন্ন অক্সিজেন সরবরাহ নিশ্চিত করা যায়নি।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক বলছেন, এরই মধ্যে ৫১টি হাসপাতালে কেন্দ্রীয় প্ল্যান্ট বসানো হয়েছে। বাকি ২৮টির কাজও আগামী মাসে শেষ হবে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক ডা. ফরিদ হোসেন মিঞা বলছেন, জটিলতা কাটিয়ে উঠতে আমাদের সময় লেগেছে, তার জন্যই আগামী মাস পর্যন্ত সময় লাগবে।

তবে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ বলছেন, এক বছরেও কাজ শেষ না হওয়া চরম অদক্ষতার পরিচয়। সংকট সমাধানে দ্রুত কাজ শেষ করতে তাগিদ দেন তিনি।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক পরিচালক ডা. বে-নজির আহমেদ বলছেন, আমাদের ব্যবস্থাপনাগত সমস্যা এটা। এছাড়া অদক্ষতারও সমস্যা রয়েছে। যেখানে যোগ্য কর্মকর্তা থাকেন সেখানে দ্রুত কাজ হয়।

তিনি বলেন, দেশের সব জেলাসহ সব মেডিকেল কলেজ ও বিশেষায়িত হাসপাতালে প্ল্যান্টটি থাকতে হবে। সেজন্য সংশ্লিষ্ট হাসপাতালগুলোর পরিচালকদের এগিয়ে আসতে হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *