জেলা প্রতিনিধি,হবিগঞ্জ:
স্বাস্থ্য খাতে কেনাকাটায় অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগে হবিগঞ্জের শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজের
অধ্যক্ষ ডা. মো. আবু সুফিয়ানসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে পৃথক দুটি মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

রোববার (১৬ আগস্ট) ঢাকার আদালতে এসব মামলা দায়ের করা হয়েছে। দুর্নীতি দমন কমিশনের ফেসবুক পেজে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

দুদকের প্রধান কার্যালয়ের উপ-সহকারী পরিচালক মো. সহিদুর রহমান বাদী হয়ে একটি এবং উপ-সহকারী পরিচালক মো. ফেরদৌস রহমান বাদী হয়ে আরও একটি মামলা দায়ের করেন।

মামলাগুলোর অপর আসামিরা হলেন ঢাকার মোহাম্মদপুরের নির্ঝরা এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী আফসানা ইসলাম কাকলী এবং ঢাকার ধানমন্ডি এলাকার পুনম ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের স্বত্বাধিকারী এসএম নজরুল ইসলাম নুতন। উভয় মামলায় শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. মো. আবু সুফিয়ানকে প্রধান আসামি করা হয়েছে।

দুদকের ফেসবুক পেজে প্রকাশিত তথ্যে জানা যায়, রোববার দুদকের প্রধান কার্যালয়ের উপ-সহকারী পরিচালক মো. সহিদুর রহমান বাদী হয়ে শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. মো. আবু সুফিয়ান এবং নির্ঝরা এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী আফসানা ইসলাম কাকলীর বিরুদ্ধে একটি মামলা করা হয়েছে।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, আসামিরা অসৎ উদ্দেশ্যে একে অপরের সহায়তায় অন্যায়ভাবে আর্থিক লাভের জন্য প্রতারণা, অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে প্রকৃত মূল্যের চেয়ে উচ্চ মূল্য দেখিয়ে বইপত্র ক্রয় করেছেন। তারা সরকারের ১ কোটি ২৯ লাখ ৩৩ হাজার ১২১ টাকা ক্ষতিসাধনপূর্বক আত্মসাৎ করে শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন। তাদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৯/৪২০/১০৯ ধারাসহ ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় একটি মামলা করা হয়েছে।

একই দিন দুদক প্রধান কার্যালয়ের উপ-সহকারী পরিচালক মো. ফেরদৌস রহমান বাদী হয়ে আরও একটি মামলা দায়ের করেছেন। এ মামলায় শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. মো. আবু সুফিয়ান এবং পুনম ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের স্বত্বাধিকারী এসএম নজরুল ইসলাম নুতনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, অসৎ উদ্দেশ্যে একে অপরের সহায়তায় অন্যায়ভাবে আর্থিক লাভের জন্য প্রতারণা, অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে প্রকৃত মূল্যের চেয়ে উচ্চ মূল্য দেখিয়ে যন্ত্রপাতি ক্রয় করেছেন। তারা সরকারের ২ কোটি ১৪ লাখ ৪৭ হাজার ৭শ টাকা ক্ষতিসাধনপূর্বক আত্মসাৎ করে শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন।

আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৯/৪২০/১০৯ ধারাসহ ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় মামলাটি দায়ের করা হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *