অনলাইন ডেস্ক:

করোনা চিকিৎসায় নিয়োজিত চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের আবাসন,যাতায়াত ও অন্যান্য বিষয় নিয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের জারি করা পরিপত্র বাতিলের দাবি জানিয়েছে ডক্টরস ফর হেল্থ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট।
শুক্রবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সংগঠনটি এ দাবি জানায়।

সংগঠনটির সভাপতি অধ্যাপক ডা. এম আবু সাঈদ ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ডা. কাজী রকিবুল ইসলাম স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে বলা হয়, ‘আমরা গভীরভাবে লক্ষ্য করছি, করোনা মহামারির সংকট মোকাবিলায় সমন্বয়হীনতা ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের ব্যর্থতার দায়ও পুরোনো কায়দায় চাপানোর চেষ্টা চলছে চিকিৎসক সমাজ ও স্বাস্থ্যসেবাকর্মী এবং জনগণের উপর। আমরা এ অপচেষ্টার তীব্র প্রতিবাদ জানাই।’

‘করোনা (কোভিড-১৯) রোগীর চিকিৎসায় নিয়োজিত চিকিৎসক, সেবিকা ও অন্যান্য স্বাস্থ্যসেবা কর্মীদের চিকিৎসা প্রদানকালীন ও সঙ্গনিরোধ থাকা অবস্থায় তাদের আবাসন ও অন্যান্য বিষয় সংক্রান্ত স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় কর্তৃক সম্প্রতি (২৯.০৭.২০২০ তারিখ) জারিকৃত পরিপত্র এ সকল সম্মুখসারির করোনা যোদ্ধাদের প্রতি অন্যায় ও অমানবিক আচরণ বলেই আমরা মনে করি। সুতরাং এ পরিপত্র দ্রুত বাতিল করে কর্মদিবস পুনঃনির্ধারণ করাসহ তাদের চিকিৎসা প্রদানকালীন ও সঙ্গনিরোধ সময়ের জন্য আবাসন ও যাতায়াতের সুব্যবস্থাপনার জোর দাবি জানাচ্ছি।’

‘আমরা লক্ষ্য করছি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় কর্তৃক সরকারি পর্যায়ে করোনা পরীক্ষায় ফি ধার্য্যকরণ, নমুনা সংগ্রহ ও প্রদানের বিড়ম্বনা, নমুনার ফল প্রকাশে অস্বাভাবিক বিলম্ব ও আস্থাহীনতা করোনার উপসর্গযুক্ত রোগীদের এক বড় অংশকেই পরীক্ষা করানো থেকে দূরে সরিয়ে দিচ্ছে। এমতাবস্থায় সরকারি স্বাস্থ্য কেন্দ্রে করোনা পরীক্ষায় ফি বাতিলকরাসহ পরীক্ষার সংখ্যা গ্রহণযোগ্য মাত্রায় বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের জোর দাবি জানাচ্ছি।’

‘আমরা গভীর উদ্বেগের সঙ্গে আরও লক্ষ্য করছি যে, করোনা প্রতিরোধের ভ্যাক্সিন প্রাপ্তিতে বাংলাদেশের জনগণের আন্তর্জাতিক এবং জাতীয় রাজনীতি ও মুনাফালোভী বাণিজ্যের শিকারে পরিণত হওয়ার আশংকা দেখা দিয়েছে। দেশের জনগণ যাতে বিনামূল্যে বা স্বল্প মূল্যে ভ্যাক্সিন প্রাপ্তির সহজলভ্যতা থেকে বঞ্চিত না হয় তার সার্বিক পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *