অনলাইন ডেস্ক :


দেশে গত কয়েকদিন ধরে করোনা সংক্রমণের হার বাড়ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত হয়েছেন ১ হাজার ৪৪৪ জন। এতে শনাক্তের হার বেড়ে ১০.১১ শতাংশ হয়েছে। এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে মারা গেছেন আরও ৩৪ জন। আর সুস্থ হয়েছেন ১ হাজার ৩৯৭ জন।

রবিবার বিকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ১৪ হাজার ২৭৭টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এতে শনাক্ত হন ১ হাজার ৪৪৪ জন। এ নিয়ে মোট শনাক্ত হলেন ৭ লাখ ৯৮ হাজার ৮৩০ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ২৯ মে শনাক্ত হন ১ হাজার ৪৩ জন। এদিন পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের হার ৭.৯১ শতাংশ। ২৮ মে শনাক্ত হন ১ হাজার ৩৫৮ জন ও শনাক্তের হার ৯.৩০ শতাংশ। ২৭ মে শনাক্ত হন ১ হাজার ২৯২ জন এবং শনাক্তের হার ৮.১২ শতাংশ। ২৬ মে শনাক্তের হার ছিল ৯.১১ শতাংশ ও ২৫ মে ১০.৮ শতাংশ। পাঁচদিন পর আজ শনাক্তের হার ফের ১০ শতাংশের বেশি। এ পর্যন্ত মোট শনাক্তের হার ১৩.৪৭ শতাংশ।

এদিকে নতুন ৩৪ জনসহ দেশে করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২ হাজার ৫৮৩ জনে। নতুন যারা মারা গেছেন তাদের মধ্যে পুরুষ ২৩ জন ও নারী ১১ জন।

বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়াদের মধ্যে ৬০ বছরের বেশি বয়স্ক আছেন ২১ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের ৫ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের ৫ জন এবং ৩১ থেকে ৪০ বছরের ২ জন ও ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে একজন।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ১ হাজার ৩৯৭ জন। এনিয়ে মোট সুস্থ হলেন ৭ লাখ ৩৮ হাজার ৮০৫ জন। এ পর্যন্ত সুস্থতার হার ৯২.৪৮ শতাংশ।

দেশে গত বছরের ৮ মার্চ প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ১৮ মার্চ প্রথম মৃত্যুর খবর আসে। কয়েক মাস ধরে টানা মৃত্যু ও শনাক্ত ঊর্ধ্বগতিতে থাকার পর বছর শেষে কয়েক মাস ক্রমান্বয়ে কমতে থাকে। চলতি বছরের শুরুতে করোনায় মৃত্যু ও শনাক্ত অনেকটা কমে আসে। তবে গত মার্চ মাস থেকে মৃত্যু ও শনাক্ত আবার বাড়তে থাকে।

বিশেষজ্ঞরা এটাকে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ বলছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *