নিজস্ব প্রতিবেদক,সিলেট:

সিলেট মুরারিচাঁদ (এমসি) কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামিকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে গণধর্ষণের ঘটনায় ছয়জনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাতনামা আরো কয়েক জনকে আসামি করে মামলা দায়ের হয়েছে।

বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে ধর্ষণের অভিযুক্ত চার জন অত্র কলেজের শিক্ষার্থী বাকি দুজন বহিরাগত। আজ সকালে শাহপরান থানায় ভূক্তভোগী নারীর স্বামী বাদি হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।

মামলার আসামিরা হলেন- রবিউল ইসলাম ,মাহবুবুর রহমান রনি,এম সাইফুর রহমান, তারেক, অর্জুন লঙ্কর, ও মাহফুজুর রহমান। এদের মধ্যে চারজন এমসি কলেজের শিক্ষার্থী।

এছাড়া আরও তিনজনকে অজ্ঞাত আসামি হিসেবে দেখানো হয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি আইন শৃঙ্খলা বাহিনী। ধর্ষণে অভিযুক্ত সবাই ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত বলেও সুত্র জানিয়েছে।

ছাত্রলীগের কয়েকজন কর্মী এই কাণ্ড ঘটিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তাদের খুঁজতে নেমেছে পুলিশ।

সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার জ্যোতির্ময় সরকার গনমাধ্যমকে বলেন, “ওই নববধূ তার স্বামীর সঙ্গে এমসি কলেজে ঘুরতে আসেন। এক পর্যায়ে তার স্বামী সিগারেট খাওয়ার জন্য কলেজের গেইটের বাইরে বের হন।

এসময় ৬/৭ জন যুবক তরুণীকে জোরপূর্বক তুলে এমসি কলেজ ছাত্রাবাস এলাকায় নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে।এসময় তার স্বামী প্রতিবাদ করলে তাকে বেঁধেরােখে এবং মারধর করা হয় বলে জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।

খবর পেয়ে পুলিশ রাত সাড়ে ১০টার দিকে ওই তরুণীকে উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে ভর্তি করছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *