নিজস্ব প্রতিবেদক:
সম্প্রতি ঢাকা-১৮ ও সিরাজগঞ্জ-১ এর সংসদ সদস্যদের মৃত্যুতে শূন্য হওয়া আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার(১২নবেম্বর) সকাল ৯টা থেকে আসন দুটিতে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। ভোট গ্রহন চলবে একটানা  বিকাল ৫টা পর্যন্ত। আসন দটিতেই ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোট নেয়া হচ্ছে।

ঢাকা-১৮ আসনটি ঢাকা উত্তর সিটির ১, ১৭, ৪৩ থেকে ৫৪ নম্বর ওয়ার্ড ও বিমানবন্দর এলাকা নিয়ে গঠিত। মোট ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ২১৭টি ও ভোটকক্ষের সংখ্যা ১ হাজার ৩৫৩টি। মোট ভোটার ৫ লাখ ৭৭ হাজার ১৮৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৯৬ হাজার ১৩৫জন এবং নারী ভোটার ২ লাখ ৮১ হাজার ৫৩ জন।

এই আসনটিতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ছয় প্রার্থী। তারা হলেন- আওয়ামী লীগের মোহাম্মদ হাবিব হাসান, বিএনপির এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন, জাতীয় পার্টির মো. নাসির উদ্দিন সরকার, বাংলাদেশ কংগ্রেসের মো. ওমর ফারুক, গণফ্রন্টের কাজী মো. শহীদুল্লাহ ও পিডিপির মো. মহিববুল্লা বাহার।

অন্যদিকে সিরাজগঞ্জের কাজীপুর, সদরের একাংশ ও একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত সিরাজগঞ্জ-১ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৪৫ হাজার ৬০৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৭১ হাজার ৬৪১ জন এবং নারী ভোটার ১ লাখ ৭৩ হাজার ৯৬২ জন। ১৬৮টি কেন্দ্রে ভোটাররা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।

আসনটিতে মাত্র দুইজন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। প্রয়াত মোহাম্মদ নাসিমের আসন হিসেবে পরিচিত আসনটিতে নৌকা প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তারই ছেলে তানভীর শাকিল জয়। আর বিএনপি থেকে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে দাঁড়িয়েছেন মো. সেলিম রেজা।

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য সাহারা খাতুন গত ৯ জুলাই মারা যাওয়ায় ঢাকা-১৮ আসনটি শূন্য হয়। অন্যদিকে গত ১৩ জুন মোহাম্মদ নাসিম মারা গেলে সিরাজগঞ্জ-১ আসনটি শূন্য হয়।

বিধি অনুযায়ী কোনো সংসদীয় আসন শূন্য হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন আয়োজন করতে হয়। তবে দুর্যোগ বা কোনো অনিবার্য কারণে সেই সময়ে নির্বাচন আয়োজন না করতে পারলে পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন আয়োজনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

মহামারী করোনার ফলে প্রথম ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন আয়োজন করা সম্ভব না হওয়ায় পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন আয়োজনের বাধ্যবাধকতা পূরণে গত ২৮ সেপ্টেম্বর এই দুই আসনের উপনির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন।

অন্য সময় নির্বাচনী এলাকায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা হলেও এ নির্বাচনে তা হয়নি। কেবলমাত্র নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো ভোটের সময় বন্ধ থাকবে। এছাড়া যানবাহন চলাচলেও নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *