নিজস্ব প্রতিবেদক:


আর্থিক অনিয়মসহ দুর্নীতির নানা অভিযোগের তদন্ত করে প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ অন্যান্য কমিশনারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে আবারো রাষ্ট্রপতির কাছে চিঠি দেয়া হয়েছে। গতকাল রোববার (৩১ জানুয়ারি) এ তথ্য জানিয়েছেন সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার।

ইসির সাবেক আইনজীবী শাহদীন মালিক স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, গত বছরের ১৪ ডিসেম্বর ৪২ জন নাগরিকের পক্ষ থেকে মহামান্য রাষ্ট্রপতির কাছে কে এম নুরুল হুদার নেতৃত্বে গঠিত বর্তমান নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে উত্থাপিত আর্থিক অনিয়ম, দুর্নীতি ও অর্থসংশ্লিষ্ট গুরুতর অসদাচরণ এবং নির্বাচনসংশ্লিষ্ট অনিয়ম ও অন্যান্য গুরুতর অসদাচরণের অভিযােগের তদন্ত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ সংবিধানের ৯৬ অনুচ্ছেদের অধীনে সুপ্রীম জুডিসিয়াল গঠন করার আবেদন জানিয়ে একটি চিঠি প্রেরণ করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, পরবর্তীতে ১৭ জানুয়ারি রাষ্ট্রপতির সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তা করার লক্ষ্যে উপরিউক্ত আবেদনের সংযুক্তি হিসেবে আরেকটি চিঠি প্রেরণ করা হয়। চিঠির সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের প্রশিক্ষণের জন্য বরাদ্ধ করা অর্থ সম্পর্কিত অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযােগ নিয়ে বৈশাখী টেলিভিশনের সাত পর্বের একটি ধারাবাহিক প্রতিবেদনের কপি সংযোজন করা হয়। একই বিষয়ে মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের (সিএজি) দফতর কর্তৃক উত্থাপিত অডিট আপত্তি নিয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত কয়েকটি প্রতিবেদনের কপিও সংযোজন করা হয়।
এরআগে গত ১৪ ডিসেম্বর ২০২০ রাষ্ট্রপতির কাছে এই চিঠি পাঠানো হয়েছিল বাংলাদেশের বর্তমান নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ‘গুরুতর অসদাচারনের’ অভিযোগ করেছিলেন ৪২ জন বিশিষ্ট নাগরিক। পাশাপাশি অনিয়ম, দুর্নীতি এবং নিয়োগ বাণিজ্যেরও অভিযোগ এনেছেন তারা। প্রতিক্রিয়ায় ইসি বলছে তারা আইনের বাইরে কিছু করেনি। বাংলাদেশের বর্তমান নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ‘গুরুতর অসদাচারনের’ অভিযোগ করেছেন ৪২ জন বিশিষ্ট নাগরিক। পাশাপাশি অনিয়ম, দুর্নীতি এবং নিয়োগ বাণিজ্যেরও অভিযোগ এনেছেন তারা। প্রতিক্রিয়ায় ইসি বলছে তারা আইনের বাইরে কিছু করেনি।
৪২ জন বিশিষ্ট নাগরিকের পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী শাহদীন মালিক চিঠিটি পাঠিয়েছিলেন। রাষ্ট্রপতিকে এসব অনিয়ম ও দুর্নীতি তদন্তে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল গঠনের অনুরোধ করেছিলেন তারা। পাশাপাশি অভিযোগের সুরাহা না হওয়া পর্যন্ত তাদের দায়িত্ব পালনে বিরত থাকারও অনুরোধ করা হয়েছিলেন।

গত বছর ১৪’ই ডিসেম্বর ৪২ জন নাগরিকের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রপতির কাছে কে এম নূরুল হুদার নেতৃত্বে গঠিত বর্তমান নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে উত্থাপিত আর্থিক অনিয়ম, দুর্নীতি ও অর্থসংশ্লিষ্ট গুরুতর অসদাচরণ এবং নির্বাচন সংশ্লিষ্ট অনিয়ম ও অন্যান্য গুরুতর অসদাচরণের অভিযোগের তদন্ত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ সংবিধানের ৯৬ অনুচ্ছেদের অধীনে সুপ্রিম জুডিশিয়াল গঠন করার আবেদন জানিয়ে একটি চিঠি দেয়া হয়।

পরবর্তীতে ১৭’ই জানুয়ারি রাষ্ট্রপতির সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তার লক্ষ্যে উপরোক্ত আবেদনের সংযুক্তি হিসেবে আরেকটি চিঠি প্রেরণ করা হয়।

দ্বিতীয় চিঠির সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের প্রশিক্ষণের জন্য বরাদ্দ করা অর্থ সম্পর্কিত অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে ‘বৈশাখী টেলিভিশনের’ সাতপর্বের একটি ধারাবাহিক প্রতিবেদনের কপি সংয়োজন করা হয়। একই বিষয়ে মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের (সিএজি) দফতর কর্তৃক উত্থাপিত অডিট আপত্তি নিয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত কয়েকটি প্রতিবেদনের কপিও সংযোজন করা হয়।

রাষ্ট্রপতিকে দেয়া দ্বিতীয় চিঠি (সংযুক্তি)

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *