আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতো উন্নত দেশে কেউ অপরাধ করলে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তাকে আইনের আওতায় নিয়ে নেওয়া হয়।

এমনই এক ‘অপরাধী’ আট বছরের এক শিশুকেও নেওয়া হয় আইনের হেফাজতে। কিন্তু আট বছরের এক শিশুর হাতে হাতকড়া পরানোর ঘটনা প্রকাশিত হওয়ার পর তা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ গণমাধ্যমে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। আট বছরের ওই শিশুকে হাতকড়া পরানোর ঘটনাটি দুই বছর আগে ঘটলেও সেটি প্রকাশিত হয়েছে সম্প্রতি।

ফ্লোরিডার এক স্কুলের ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরায় ধারণ হওয়া ফুটেজে দেখা গেছে, আট বছরের ঐ শিশুকে পিঠমোড়া দিয়ে পরানো হচ্ছে হাতকড়া। যদিও সেই হাতকড়া শিশুটির কচি হাতের সঙ্গে কোনোভাবেই মানানসই ছিল না। কারণ হাতকড়ার চেয়ে তার হাত ঢের ছোট। এই ঘটনায় মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগও উঠেছে ঐ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। সেদিন স্কুলের এক শিক্ষককে আঘাত করার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়েছিলেন পুলিশ কর্মকর্তা। দোষ করায় তাকে আটক করে পুলিশ।

এরপর দাগি আসামির মতো জেলে নিয়ে আসামির মতো ছবি তুলে রাখা হয়। এতটুকু পুঁচকে এক শিশুকে এভাবে একজন দাগি আসামির মতো হাতকড়া পরানোর মাধ্যমে শিশুটির মনোজগতে গুরুতর আঘাত হানার অভিযোগ উঠছে তখন। শিশুটি কী কারণে তার শিক্ষককে আঘাত করেছে তা জানার মাধ্যমে শিশুটিকে সাহায্য করার বদলে তার সঙ্গে এমন আচরণকে কেউ সমর্থন করছে না। যদিও পুলিশের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, ঐ পুলিশ কর্মকর্তা সেটাই করেছেন যা একজন অপরাধীর বেলায় প্রযোজ্য।-সিএনএন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *