নিজস্ব প্রতিবেদক:

‘অটো প্রমোশন’ নয়, মূল্যায়নের ভিত্তিতেই অষ্টম থেকে নবম শ্রেণিতে শিক্ষার্থীদের উত্তীর্ণ করা হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক।

আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে অনুষ্ঠিত আন্তশিক্ষা বোর্ডের উপকমিটির সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান অধ্যাপক জিয়াউল হক।

মূল্যায়নের ভিত্তি কী হবে- এমন প্রশ্নের জবাবে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান বলেন, ‘এ বছরের ১৫ মার্চ পর্যন্ত শ্রেণিকক্ষে এবং পরবর্তী সময়ে সংসদ টিভি ও অনলাইনে যা পড়ানো হয়েছে তার ভিত্তিতে মূল্যায়ন করা হবে। নিজ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক সম্ভব হলে সরাসরি, না হলে অনলাইনে অথবা আগের মূল্যায়নের ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের পরবর্তী শ্রেণিতে উত্তীর্ণ করবেন।’

আর মূল্যায়নের বিষয়ে শিক্ষা বোর্ড থেকে শিক্ষকদের জন্য একটি গাইড লাইন করে দেওয়া হবে বলে জানান অধ্যাপক জিয়াউল হক।

চলতি বছর জেএসসি-জেডিসিতে মোট ২৫ লাখ শিক্ষার্থীর পরীক্ষায় বসার কথা ছিল। কিন্তু করনোভাইরাস পরিস্থিতি কারণে সরকার গত ২৭ আগস্ট এই দুই পরীক্ষা বাতিল ঘোষণা করে। এর আগে প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষাও বাতিল ঘোষণা করা হয়।

পরে ২ সেপ্টেম্বর ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এস এম আমিরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ‘করোনাভাইরাস সংক্রমণের কারণে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ২০২০ সালের জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষা গ্রহণ না করে নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মূল্যায়নের ভিত্তিতে নবম শ্রেণিতে উত্তীর্ণ করা হবে।’

আজকের বৈঠকে জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষার্থীদের কীভাবে মূল্যায়ন করা হবে সেই ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এই বৈঠকে সব শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান উপস্থিত ছিলেন। তবে সভায় উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা (এইচএসসি) নিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানান ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান।

চলতি বছরের ১ এপ্রিল থেকে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরুর কথা ছিল। কিন্তু করোনাভাইরাসের কারণে তা স্থগিত করে সরকার। তবে কওমি মাদ্রাসা খুলে দেওয়া হলেও অন্যসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আগামী ৩ অক্টোবর পর্যন্ত ছুটি রয়েছে।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *